সংক্ষেপে পাতকুয়ার পরিচিতি
পাতকুয়া:
ভু-গর্ভস্থ সম্পৃক্ত পানির স্তর এর নি¤œ পর্যন্ত গোলাকার আকৃতিতে মাটি খনন করে চারপাশ থেকে চুয়ানো পানি ধরে রাখার আধার কে পাতকুয়া বলে।
পাতকুয়ায় জমানো পানি সোলার পানেল স্থাপন করে সৌর শক্তি দ্বারা চালিত মটর দ্বারা হেডার ট্যাংকে উঠানো হয়। হেডার ট্যাংকে উঠানো পানি ভু-গর্ভস্থে স্থাপনকৃত সরবরাহ পাইপের আউটলেটের মাধ্যমে ফসলের জমিতে সেচ দেয়া হয়।
সংক্ষেপে পাতকুয়ার বৈশিষ্ট:
   ১। কুয়ার গভীরতা: ১১৫ ফুট।
   ২। কুয়ার ব্যাস: ৪৬ ইঞ্চি।
   ৩। রিং এর গভীরতা: ১১৫ ফুট + ৩ ফুট ( প্লাট ফর্ম এর উপরে ৩ ফুট)।
   ৪। সোলার প্যানেল : ১৬ টি।
   ৫। পাম্পের ডিসচার্জ: ৫ লিটার/সে.।
   ৬। সরবরাহ পাইপ ৪০০ মিটার প্রায়।
   ৭। মোট আউটলেট সংখ্যা: ১১ টি।
   ৮। প্রতিদিন প্রাপ্ত পানির পরিমান: ৭৫,০০০ লি: হতে ৯০,০০০লি:।


সেচ কার্য পরিচালনার কমান্ড এরিয়া: প্রায় ৩০ বিঘা(৪ হেক্টর)।

যে সকল ফসলে সেচ দেয়া যায়:
রবি মৌসুমে ঃটমেটো, সীম, লাউ, বেগুন, মুলা, লালশাক, ডাটা, মিঃ কুমড়া, করলা, পাংশাক, শশা, ঢেড়স, আলু,  ফুলকপি, বাধাকপি, মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন , আদা, হলুদ,মশুর,সরিষা, ইত্যাদি।
খরিপ-১ মৌসুমেঃ আউশ ধান, মিঃ কুমড়া, ঢেড়স, পানিকচু, বেগুন, মরিচ, লাউ, ডাটা, করলা, ধুন্দল, পুইশাক, মুলা,গিমা কলমি মেটে আলু, তিল, আদা, হলুদ,মুগ.মাস কলাই ইত্যাদি।
খরিপ-২ মৌসুমেঃ বেগুন, মরিচ, লালশাক আদা, হলুদ, করলা, ধুন্দল, গিমা কলমি , মুগ.মাস কলাই মেটে আলু ইত্যাদি।

পাতকুয়া ব্যবহারের সুফল:
   ১। ভূ-র্গভস্থ পানির উপর চাপ কমানো
   ২। খরা প্রবন এলাকায় স্বল্প সেচের ফসল উৎপাদন
   ৩। পানি উত্তোলনে সৈার শক্তির ব্যবহার করা
   ৪। বৃষ্টির পানি ভূ-র্গভে প্রবেশ করানোর মাধ্যমে ভূ-র্গভস্থ পানির স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি করা।
   ৫। এলাকার পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন করা

উপকার ভোগি পরিবার সংখ্যাঃ
পাতকুয়ার চার পার্শ্বের প্রায় ৪০ পরিবার
পাত কুয়ার অবস্থান:
আদমদীঘি উপজেলার শান্তাহার  ই্উনিয়নের দমদমা গ্রাম