ফেনীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভাসমান বীজতলা। খাল, বিল ও জলাশয়ে এ বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এ বীজতলা। জেলার সদর, দাগনভূঞা, সোনাগাজী, ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ায় ছয়টি স্থানে ভাসমান বীজতলা তৈরি করা হয়েছে।



সরেজমিন ফেনী সদর উপজেলার উত্তর কাশিমপুরে চর এলাকায় দেখা যায়, কৃষক নুর মিয়া ভাসমান বীজতলা তৈরি করছেন। এ সময় তিনি জানান, প্রথমে পানিতে কলার ভুরা দিয়ে বেঁধে তারপর ওপরে কচুরিপানা দিয়ে গ্যাপ পূরণ করার পর মাটি সমান করে বীজ ছিটিয়ে দিতে হয়। ১৫ থেকে ২০ দিনে চারা পরিপূর্ণতা লাভ করে।

সদর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর কাশিমপুরে এলাকায় এ বীজতলা বেশি তৈরি করা হয়। মূলত বন্যা ও আপদকালীন সময় ভাসমান বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বীজ সংকট মেটায়। গত কয়েক বছর আগাম বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বন্যা পরবর্তী রোপা আমন আবাদ করলে কৃষকরা লাভবান হতে পারে। বিশেষ করে এ চারা রোপণে ফলন ভালো হয়। দামও বেশি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন জানান, সরকারি সহায়তায় ভাসমান বীজতলার এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য তিনি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে বলে জানান।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রনব চন্দ্র মজুমদার বলেন, এ ধরনের চারা আপদকালীন চারা হিসেবে কৃষকদের কাজে লাগবে।


সরেজমিন ফেনী সদর উপজেলার উত্তর কাশিমপুরে চর এলাকায় দেখা যায়, কৃষক নুর মিয়া ভাসমান বীজতলা তৈরি করছেন। এ সময় তিনি জানান, প্রথমে পানিতে কলার ভুরা দিয়ে বেঁধে তারপর ওপরে কচুরিপানা দিয়ে গ্যাপ পূরণ করার পর মাটি সমান করে বীজ ছিটিয়ে দিতে হয়। ১৫ থেকে ২০ দিনে চারা পরিপূর্ণতা লাভ করে।



r