গল মাছি (gall midge) অাক্রান্ত অাম গাছ কিভাবে ট্রিটমেন্ট করতে হবে?

উত্তর সমূহ

  1. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে

  2. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে

  3. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    ফসল : আম পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

  4. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    ফসল : আম পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

  5. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    ফসল : আম পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

  6. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    ফসল : আম পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

  7. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    ফসল : আম পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

  8. সৈয়দা সিফাত জাহান , অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,রাজারহাট ,কুড়িগ্রাম

    ফসল : আম পোকার নাম : পাতার গল মাছি পোকা চেনার উপায় : পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে লম্বা, কাল মাথা ও ঘাড়, পেটের রঙ হাল্কা বাদামি, দুজোড়া পাখাই স্বচ্ছ।পূর্ণাঙ্গ পোকা দেখতে মাছির মত ক্ষতির ধরণ : স্ত্রী পোকা আমের কচি পাতার নীচের দিকে ছিদ্র করে ডিম পাড়ে। ৩-৪ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা পোকা বের হয়। পরে পাতার কোষ এবং টিস্যু সমুহে প্রবেশ করে রস খাওয়ার কারণে পাতায় গলের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় গাছের পাতা শুকিয়ে মারা যেতে পারে। আক্রমণের পর্যায় : কুশি ফসলের যে অংশে আক্রমণ করে : কচি পাতা পোকার যেসব স্তর ক্ষতি করে : কীড়া ব্যবস্থাপনা : ডাইমিথয়েট জাতীয় কীটনাশক (রগর বা টাফগর ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে দিয়ে স্প্রে করলে আমের পাতায় গল মাছি দমন করা যায়। অথবা ডেল্টামেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ডেসিস  ২.৫ ইসি  ১০ মিলিলিটার ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পূর্ব-প্রস্তুতি : গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাটাই করে প্রচুর পরিমান আলো বাতাস এর বাবস্থা করতে হবে।  অন্যান্য : আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।