লিচুর ফল ফেটেযাওয়া রোধে করণীয় কি?

উত্তর সমূহ

  1. সৈয়দা সিফাত জাহান ,অতিরিক্ত কৃষি অফিসার

    • মাটিতে জৈব সার সহ সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে।
    • খরা মৌসুমে ফল ধারণের পর থেকেই নিয়মিত সেচ প্রদান করতে হবে
    • সেচ প্রদানের পর গাছের গোড়ায় কঢ়ুরিপানা বা খড় দ্বারা আচ্ছাদনের ব্যবস্থা করতে হবে
    • প্রতি বছর প্রতি গাছের গোড়ায় ক্যালসিয়াম সার (ডলোচুন - ১৫০ গ্রাম) প্রয়োগ করতে হবে
    • ফলসহ গাছে পানি স্প্রে করতে হবে
    • ফল বৃদ্ধির সময় জিংক সালফেট প্রতি লিটার পানিতে ১০ গ্রাম হারে মিশিয়ে পর পর ৩ সপ্তাহ গাছে স্প্রে করলে ফল ফাটা ও ফল ঝরা বন্ধ হয় এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।
    • গুটি বাধার পর পরই প্লানোফিক্স বা মিরাকুলান প্রতি ৪.৫ লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
    • বোরিক এসিড প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে পর পর ৩ সপ্তাহ গাছে স্প্রে করলে ফল ফাটা বন্ধ হয় এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।

  2. সৈয়দা সিফাত জাহান ,অতিরিক্ত কৃষি অফিসার

    • মাটিতে জৈব সার সহ সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে।
    • খরা মৌসুমে ফল ধারণের পর থেকেই নিয়মিত সেচ প্রদান করতে হবে
    • সেচ প্রদানের পর গাছের গোড়ায় কঢ়ুরিপানা বা খড় দ্বারা আচ্ছাদনের ব্যবস্থা করতে হবে
    • প্রতি বছর প্রতি গাছের গোড়ায় ক্যালসিয়াম সার (ডলোচুন - ১৫০ গ্রাম) প্রয়োগ করতে হবে
    • ফলসহ গাছে পানি স্প্রে করতে হবে
    • ফল বৃদ্ধির সময় জিংক সালফেট প্রতি লিটার পানিতে ১০ গ্রাম হারে মিশিয়ে পর পর ৩ সপ্তাহ গাছে স্প্রে করলে ফল ফাটা ও ফল ঝরা বন্ধ হয় এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।
    • গুটি বাধার পর পরই প্লানোফিক্স বা মিরাকুলান প্রতি ৪.৫ লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
    • বোরিক এসিড প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে পর পর ৩ সপ্তাহ গাছে স্প্রে করলে ফল ফাটা বন্ধ হয় এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।

r